সঞ্চয়ের-প্রয়োজনীয়তা

সঞ্চয় মানুষের জীবনের এক মূল্যবান হাতিয়ার।

অর্থ অর্জন করার জন্য শ্রম বিনিময় করতে হয়। কিন্তু বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে শ্রমের মূল্যে অনেক তফাত রয়েছে। তার মধ্যে আবার তহবিল গড়ার জন্য সঞ্চয়। একজন লোক যত বেশি মিতব্যয়ী হবে তার সঞ্চয়ের পরিমাণও তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। তাই পরিবারের অর্থের সংকট মেটাতে সঞ্চয় করার অভ্যাস করার লক্ষ্যে কয়েকটি টিপস অবলম্বন করা যেতে পারে।

সঞ্চয় : আয়-ব্যয়=সঞ্চয়। এ ধ্যান-ধারণা পাল্টে গিয়ে বর্তমানে সঞ্চয় হচ্ছে, আয় – সঞ্চয়=ব্যয়।


অর্থাৎ আয় থেকে নির্ধারিত সঞ্চয় বাদ দিয়ে ব্যয় করতে হবে। একজন মানুষকে মিতব্যয়ী হতে হবে। ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিলাসিতা ত্যাগ করতে হবে। উৎপাদন বাড়াতে হবে। আয়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে খরচ করতে হবে। সঞ্চয় করার জন্য বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয় করা যেতে পারে।প্রকাশিত একটি বইয়ের তথ্য হচ্ছে, সঞ্চয় যেভাবে গড়ে উঠতে পারে তা হচ্ছে জীবনের প্রথম আয় থেকেই সঞ্চয় শুরু করা। যে সঞ্চয়ের মূল টাকা কখনও খরচ করা হবে না। ওই সঞ্চয়কৃত মুনাফার টাকা বিশেষ প্রয়োজনে খরচ করা যেতে পারে। ঢাকা শহরসহ গ্রামাঞ্চলেও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সঞ্চয় প্রবণতা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সঞ্চয় করার জন্য প্রয়োজন আগ্রহ বা ইচ্ছা। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে জনগণকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং গুরুত্ব তাদের কাছে তুলে ধরতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নতুন নতুন স্কিম হাতে নিতে হবে সঞ্চয়কে একীভূত করার জন্য, যাতে তারা ইচ্ছা করলেই সঞ্চয় করতে পারে।

Advertisements

One thought on “সঞ্চয়ের-প্রয়োজনীয়তা

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s